উত্তমরুপে ওযু করার পদ্ধতি
শরীয়তের বিধান মতে পবিত্র পানি দিয়ে শরীরের কতিপয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ধোয়াকে ওযু বলে। শরীয়তে ওযুর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ওযু ছাড়া নামায হয় না। আল্লাহ্ রাব্বুল আলামিন পবিত্র, তাই তিনি পবিত্রতাকেই পছন্দ করেন।
![]() |
| ওযু করার নিয়ম ওযু করার সুন্নাত সমূহ |
১। নিয়ত করতে হয় ( বিসমিল্লাহি আওওয়ালাহু ওআখিরাহ বা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম )
বলে ওযু শুরু করা,
২। ডানহাতের কব্জি ৩বার ধোয়া সুন্নত ও বাম হাতের কব্জি ৩বার ধোয়া সুন্নত।
৩। মিসওয়াক করা সুন্নাত ( মিস্ওয়াক না থাকলে হাতের আঙ্গুল দারা)
৪। ৩বার ( গর গর) কুলি করা সুন্নত।
৫। ৩বার নাকের নরম স্থান পর্যন্ত পানি পৌছানো এবং নাক সাফ করা সুন্নত।
৬। সমস্ত মুখ ৩বার ধোয়া সুন্নত ( ডান কানের লতি থেকে বাম কানের লতি পর্যন্ত ও চুলের গোড়া থেকে থুতুর নিচ পর্যন্ত) ঘনো দাড়ি খিলাল করা।
৭। ডান হাতের কনুইসহ ৩বার ধোয়া সুন্নত ও বাম হাতের কনুইসহ ৩বার ধোয়া সুন্নত ও দুই হাতের আঙ্গুল খিলাল করা সুন্নাত।
৮। সমস্ত মাথা মাসেহ্ করা সুন্নত (মাথার চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ করা ফরজ)।
৯। কান মাসাহ করা সুন্নাত ( কানের ছিদ্রের ভেতর কনিষ্ঠা আঙ্গুল ঢুকিয়ে এবং ভেতর দিকের অবশিষ্ঠ অংশে শাহাদাত আঙ্গুল এবং বাইরের দিকে বৃদ্ধাঙ্গলী দ্বারা মাসাহ করা।
১০। ডান পায়ের টাখনুসহ ৩বার ধোয়া সুন্নত, বাম পায়ের টাখনুসহ ৩বার ধোয়া সুন্নত (দু’পায়ের টাখনুসহ একবার ধোয়া ফরজ ) দুই পায়ের আঙ্গুল সমূহ খিলাল করা সুন্নাত।
১১। এবং অযুর শেষে কালেমা শাহাদাত পড়া।
আরো ইসলামিক বিষয় জান্তে হলে SAp TV Bangla এর সংগেই থাকুন ধন্যবাদ।

No comments