আজ খুলনা আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার খুলনায় আসছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে খুলনা সহ আসে পাসের মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নগরীতে শত শত তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে নগরীর প্রতিটি সড়ক ও মোড়, তবে অন্য বারের মতো এবার তেমন গেট চোখে পড়ছেনা কারন এবার প্রধান মন্ত্রী আসবেন আকাশ পপথে,
এছাড়া গোটা নগরজুড়ে নিছিদ্র নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি হিসাবে নগরীর খালিশপুরস্থ আইইবি কেন্দ্রে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ এর ৫৮তম কনভেনশন উদ্বোধন করবেন। বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী জনসভার পূর্বে মঞ্চের পাশে তৈরি করা একটি বোর্ডে সুইচ টিপে ২ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৯৯ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর মধ্যে ৬৭৫. ৩৭ কোটি টাকার ৪৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১ হাজার ৩৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকার ৫২টি নতুন প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্বোধনের জন্যে প্রকল্পসমূহের তালিকা
চূড়ান্ত করেছেন গত মঙ্গলবার ।
উদবোধনযোগ্য ৪৭টি প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানাগেছে,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকাল ৩টায় সার্কিট হাউজ ময়দানে নৌকার আদলে তৈরি সুবিশাল মঞ্চ থেকে জনসভায় ভাষণ দেবেন। খুলনার ইতিহাসে এত বিশাল এবং ব্যয়বহুল মঞ্চ আগে কখনও হয়নি। ১১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত এই মঞ্চ তৈরির কাজ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হয়েছে। সুবিশাল ও মঞ্চ তৈরি করতে প্রায় ৯দিন লেগেছে বলে জানান
মঞ্চের ঠিকাদার আকতার হোসেন।
খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে মঞ্চ নির্মাণের কাজ করেছেন ৩০ জন মিস্ত্রী। তাদের সঙ্গে শ্রমিক হিসাবে ছিলেন আরো ৩০ জন। মঞ্চ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন ৪ জন। রং মিস্ত্রীর কাজ করেন ৭ জন। মঞ্চের মূল মিস্ত্রী যশোরের পাইকপাড়ার শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগের দুইটি বিশাল জনসভার মঞ্চ নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জের জনসভার মঞ্চও ছিল।
তিনি জানান, এবারের মঞ্চের ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি এবং মজবুত। অত্যাধুনিকভাবে এই মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি এই মঞ্চের সকল খরচ নিয়ন্ত্রণ করছেন। এই মঞ্চে ৪০০ লোক বসতে পারবেন।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি জানান, এই মঞ্চে ২৬০ জন নেতা বসবেন প্রথম সারিতে ৩০ জন, দ্বিতীয় সারিতে ৩০ জন এবং শেষ সারিতে ১০০ চেয়ার বসানো হবে।
কারা মঞ্চে থাকবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কেবিনেট মন্ত্রী, সাংসদ সদস্য, উপজেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ থানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এই মঞ্চে থাকতে পারবেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আজকের জনসভায় ১০ লাখেরও বেশি লোকের সমাবেশ ঘটবে। বৃহত্তর খুলনাসহ বিভাগের ১০ জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকেও জনসভায় লোক আসবে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার দুপুরে সার্কিট হাউজ ময়দানের জনসভা স্থল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন, অসীত বরণ বিশ্বাস, শেখ মো. আবু হানিফ প্রমুখ।
চারদিনব্যাপী আয়োজিত এবারের কনভেনশনের মূল অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান, জাতীয় সেমিনার উদ্বোধনী ও সমাপনী পর্ব, তিনটি স্মারক বক্তৃতা, ফিয়েস্কা সেমিনার ও বিদেশি অতিথিদের সংবর্ধনা।
অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম তথ্যমন্ত্রী প্রকৌশলী হাসানুল হক ইনু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, আইইবির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। সেমিনারে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে পেপার উপস্থাপন করা হবে।
আগামী ৫ মার্চ কনভেনশনের জাতীয় সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ এমপি।
আ’লীগের প্রেস ব্রিফিং
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার বিকালে খুলনা প্রেসকাবে প্রেস ব্রিফিং করেছে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ।
এতে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি বলেন, ২০২১ সালের ঊষালগ্নে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল একটি দেশে পরিণত হবে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বসভায় নন্দিত হয়েছেন। তাঁকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধীতে ভূষিত করা হয়েছে। বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়েই শেখ হাসিনা রাজনীতি করেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা খুলনার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তাই খুলনার মানুষ আগামী নির্বাচনে তাকে বঞ্চিত করবেন না। আগামী সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করবে। চারিদিকে সিসি ক্যামেরা সহ সবরকম নিরাপত্তা নিচ্ছিত করা হয়েছে। পরবর্তী নিউজ পেতে SAp TV Bangla এর
সংগেই থাকুন।
এছাড়া গোটা নগরজুড়ে নিছিদ্র নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শনিবার বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি হিসাবে নগরীর খালিশপুরস্থ আইইবি কেন্দ্রে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ এর ৫৮তম কনভেনশন উদ্বোধন করবেন। বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী নগরীর ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ ময়দানে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী জনসভার পূর্বে মঞ্চের পাশে তৈরি করা একটি বোর্ডে সুইচ টিপে ২ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৯৯ প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এর মধ্যে ৬৭৫. ৩৭ কোটি টাকার ৪৭টি প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ১ হাজার ৩৩৬ কোটি ৪ লাখ টাকার ৫২টি নতুন প্রকল্পের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন উদ্বোধনের জন্যে প্রকল্পসমূহের তালিকা
চূড়ান্ত করেছেন গত মঙ্গলবার ।
উদবোধনযোগ্য ৪৭টি প্রকল্পের অধিকাংশ কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানাগেছে,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকাল ৩টায় সার্কিট হাউজ ময়দানে নৌকার আদলে তৈরি সুবিশাল মঞ্চ থেকে জনসভায় ভাষণ দেবেন। খুলনার ইতিহাসে এত বিশাল এবং ব্যয়বহুল মঞ্চ আগে কখনও হয়নি। ১১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রশস্ত এই মঞ্চ তৈরির কাজ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শেষ হয়েছে। সুবিশাল ও মঞ্চ তৈরি করতে প্রায় ৯দিন লেগেছে বলে জানান
মঞ্চের ঠিকাদার আকতার হোসেন।
খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে মঞ্চ নির্মাণের কাজ করেছেন ৩০ জন মিস্ত্রী। তাদের সঙ্গে শ্রমিক হিসাবে ছিলেন আরো ৩০ জন। মঞ্চ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন ৪ জন। রং মিস্ত্রীর কাজ করেন ৭ জন। মঞ্চের মূল মিস্ত্রী যশোরের পাইকপাড়ার শফিকুল ইসলাম। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগের দুইটি বিশাল জনসভার মঞ্চ নির্মাণের দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জের জনসভার মঞ্চও ছিল।
তিনি জানান, এবারের মঞ্চের ধারণ ক্ষমতা অনেক বেশি এবং মজবুত। অত্যাধুনিকভাবে এই মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি এই মঞ্চের সকল খরচ নিয়ন্ত্রণ করছেন। এই মঞ্চে ৪০০ লোক বসতে পারবেন।
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি জানান, এই মঞ্চে ২৬০ জন নেতা বসবেন প্রথম সারিতে ৩০ জন, দ্বিতীয় সারিতে ৩০ জন এবং শেষ সারিতে ১০০ চেয়ার বসানো হবে।
কারা মঞ্চে থাকবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কেবিনেট মন্ত্রী, সাংসদ সদস্য, উপজেলা সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা চেয়ারম্যানসহ থানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এই মঞ্চে থাকতে পারবেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আজকের জনসভায় ১০ লাখেরও বেশি লোকের সমাবেশ ঘটবে। বৃহত্তর খুলনাসহ বিভাগের ১০ জেলা ও গোপালগঞ্জ জেলা থেকেও জনসভায় লোক আসবে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার দুপুরে সার্কিট হাউজ ময়দানের জনসভা স্থল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শিখর, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এস এম কামাল হোসেন, অসীত বরণ বিশ্বাস, শেখ মো. আবু হানিফ প্রমুখ।
চারদিনব্যাপী আয়োজিত এবারের কনভেনশনের মূল অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে, উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান, জাতীয় সেমিনার উদ্বোধনী ও সমাপনী পর্ব, তিনটি স্মারক বক্তৃতা, ফিয়েস্কা সেমিনার ও বিদেশি অতিথিদের সংবর্ধনা।
অনুষ্ঠানগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম তথ্যমন্ত্রী প্রকৌশলী হাসানুল হক ইনু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, আইইবির প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন। সেমিনারে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পক্ষ থেকে পেপার উপস্থাপন করা হবে।
আগামী ৫ মার্চ কনভেনশনের জাতীয় সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ এমপি।
আ’লীগের প্রেস ব্রিফিং
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে সামনে রেখে গতকাল শুক্রবার বিকালে খুলনা প্রেসকাবে প্রেস ব্রিফিং করেছে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ।
এতে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি বলেন, ২০২১ সালের ঊষালগ্নে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল একটি দেশে পরিণত হবে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বসভায় নন্দিত হয়েছেন। তাঁকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ উপাধীতে ভূষিত করা হয়েছে। বাবার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়েই শেখ হাসিনা রাজনীতি করেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা খুলনার ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তাই খুলনার মানুষ আগামী নির্বাচনে তাকে বঞ্চিত করবেন না। আগামী সিটি করপোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার মানুষ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করবে। চারিদিকে সিসি ক্যামেরা সহ সবরকম নিরাপত্তা নিচ্ছিত করা হয়েছে। পরবর্তী নিউজ পেতে SAp TV Bangla এর
সংগেই থাকুন।

No comments