প্রতিবাদ চাই মুসলিমদের অবমাননার প্রতিবাদ একসংঙ্গে আওয়াজ উঠুক
হলি আর্টিজানে হামলাকারীরা ছিল ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া উচ্চশিক্ষিত। তাদের মুখে দাড়ি ছিল না।
কিন্তু হলি আর্টিজানের উপর ফিল্ম তৈরি করতে গিয়ে অভিনেতা জাহিদ হাসানের মুখে দাড়ি ঝুলিয়ে দেয়া হলো কেন? আবার কপালে সিজদার কালো দাগও লাগিয়ে দেওয়া হলো? অভিনেত্রী তিশার মাথায় হিজাব পরানো হল কেন?
জঙ্গী হলেই কি দাড়ি লাগিয়ে দিতে হয়। দাড়ি তো ইসলামের অন্যতম প্রতীক। এভাবে ইসলামকে অপমান করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ইসলামকে ভালোবাসে, দাড়ি টুপি ভালোবাসে, পর্দাপ্রথা পছন্দ করে। তবুও তাদের মনে আঘাত দেওয়া হচ্ছে কেন?
এর দ্বারা কি বুঝানো হচ্ছে? কি ম্যাসেজ দেয়া হচ্ছে? কাকে টার্গেট করে সমাজ-রাষ্ট্র-বিশ্বে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে?
দুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে একজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হলো! প্রায় প্রতিদিনই বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে অবমাননার অভিযোগে কাউকে না কাউকে আটক করা হচ্ছে! অথচ হলি আর্টিজানের অপরাধীদেরকে মুখে দাড়ি ও কপালে সিজদার কালো দাগ লাগিয়ে দিয়ে ইসলাম ধর্ম এবং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে বিকৃত ও অবমাননা করা হলো, তার বিচার কোথায়?
তাই মুসলমান বজ্রকন্ঠে আওয়াজ তুলুন৷ আমরা এই ধরনের ন্যক্করজনক ঘটনা এবং দালাল নামধারী হলুদ মিডিয়ার তীব্র নিন্দ জানাই৷

No comments